কিভাবে আদালতে জিম্মানামা লিখবেন পেস করবেন বা জিম্মানামা নমুনা
জিম্মানামা কাকে বলে?
যদি কোন মানুষের কোন কিছু হারিয়ে যায় , সেই হারানো আবার নিজ থানার মাধ্যমে ফিরিয়ে পায় এবং ফিরিয়ে পাওয়া জিনিসটি থানামার মাধ্যমে যে আদালতের মাধ্যমে ফিরিয়ে পাওয়ার একটি নথি আদালতে পেশ করেন তাকে জিম্মানামা বলে।
কিভাবে জিম্মানামা নমুনা লিখবেন সেই সম্পর্কে নিম্নেরুপে ভাল করে একটি বাস্তব ফরমেট আলোচানা করা হইয়াছে।
এখান থেকে শুরুঃ-
মোকামঃ বিজ্ঞ আমলী আদালত,ডোমার, নীলফামারী।
জি.আর ১৯০/১৬ ১। রাষ্ট্র---------------------- বাদী
বনাম
১। মোঃ মহসিন আলী------- দরখাস্তকারী
“জিম্মানামা”
আমি মোঃ মহসিন আলী, পিতা-মৃত আরব আলী, সাং- পশ্চিম চিমনমাটি পল্টনপাড়া, থানা-ডোমার, জেলা-নীলফামারী। এই মর্মে জিম্মানামা সম্পাদন পূর্বক উল্লেখ করিতেছি যে, আমার মালিকানাধীন নিম্ন বর্নিত একটি বকরি ছাগল চুরি হইলে উক্ত ছাগলটি ডোমার থানা কতৃপক্ষ আসামীর নিকট হইতে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে ছাগলটি দুইটি বাচ্চা প্রসব করেন। উক্ত ছাগল গুলি বর্তমানে ডোমার থানার কতৃপক্ষের তত্তাবধানে রহিয়াছে। ছাগল গুলি নিজ জিম্মায় লওয়ার উদ্দেশ্যে জিম্মানামা প্রদান পূর্বক বনর্না করিতেছি যে, অত্র মোকদ্দমার বিচার কালে মাননীয় আদালত ছাগল গুলি তলব করিলে আমি ছাগলটি বাচ্চা সমেত আদালতে হাজির করিতে বাধ্য থাকিব। ইহার অন্যথায় বাংলাদেশ সরকার বরাবর ১০,০০০/(দশ হাজার) টাকা জমা দিতে বাধ্য থাকিব।
জিম্মানামা সম্পাদন কারীর স্বাক্ষরঃ
ছাগলটির বর্ননাঃ
১। গায়ের রং-হালকা বাদামী, মুখে হালকা দাড়ী, সিং-দুইটি মাঝারী ধরন, সিং হইতে নাসিকা পর্যন্ত উপরের অংশ কালো এবং চোখের রং কালো উচ্চতা মাঝারী বয়স-বৃদ্ধ জাত দেশী।
অন্য পোষ্ট-