১০৭ ধারা মামলার আরজি বা কিভাবে ১০৭ ধারা মামলা লিখবেন
অন্য পোষ্ট-
২। জমির বায়না পত্র লেখার নিয়ম
৩। আ দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম 692 Boys names with A
কিভাবে ১০৭ ধারা মামলা লিখবেন
১০৭ ধারা মামলাটি কিভাবে লিখবেন সে সম্পর্কে এই পোষ্টে আমি আপনাদের ভালভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করিছ।
১০৭ ধারা মামলার আরজি কিভাবে সাজাবেন
নিম্নের মামলাটি সাজানোর জন্য আপনি যে যে ভাষা ব্যবহার করবেন সেই সম্পর্কে এখানে লিখা আছে। কিভাবে ১০৭ ধারা মামলার আরজি লিখতে হয় সেটি ভাল করে একটি বাস্তর উদারহল সহ নিম্নে আলোচনা করা আছে।
এই ১০৭ ধারা আরজি থেকে আপনা যা করবেন
যেহেতু এটি একটি বাস্তর ১০৭ ধারা মামলা সে ক্ষেত্রে আপনার যা করণীয় -- যেমন -
১। এখানে মামালার মধ্যে যা নাম আছে সেই নামগুলো সেই নামের পরিবর্তে আপনার মামলার নাম বসাতে হবে।
২। আপনা ১০৭ ধারা মামলা বাদী বিবাদীর নাম এবং ঠিকানা এখানকার বাদ দিয়ে আপনার মামলার নাম ও ঠিকানা বসাতে হবে।
৩। সেয এটি একটি মামলা করে আসার ১০৭ ধারা আরজি সে ক্ষেত্রে আপনি নিম্নের উপযুক্ত ভাষা গুলো ব্যবহার করতে পারেন। নিম্নে এই ১০৭ ধারা মামলার সকল তথ্যগুলো সম্পুর্ণ টিক এবং নিম্নের নিয়মে আপনা মামলাটি সাজাতে পারেন।
এখান থেকে লেখা শুরু
মোকাম বিজ্ঞ নিবাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত, নীলফামারী সদর।
১। মোঃ বাবুল হোসেন
পিতা-মৃতঃ কছিম উদ্দিন
সাং-ইটাখোলা ডাঙ্গাপাড়া
থানা ও জেলা-নীলফামারী ও
সাধারন সম্পাদক উত্তর ইটাখোলা
কিসামত দোগাছি তেলী পাড়া
জামে মসজিদ কমিটি সদর
উপজেলা নীলফামারী।
বনাম
১। ছমির উদ্দিন (৫৫), পিতা-মৃতঃ আছির উদ্দিন
২। মোঃ আমিনুর রহমান(৬০)
পিতা-মৃতঃ তছির উদ্দিন
৩। মোঃ হাবিবুর রহমান বাবু (৩৮)
পিতা-মোঃ ছমির উদ্দিন
৪। মোঃ সোহেল রানা বাপ্পি (১৯)
পিতা-মোঃ মোকলেছার রহমান
৫। মোঃ মিজানুর রহমান (৪২),পিতা-আঃ জব্বার
৬। মোঃ আঃ মজিদ (৬০),পিতা-মৃতঃ কাদিম মামুদ
সকলের সাং-কিসামত দোগাছী
পোষ্ট-রামগঞ্জ, থানা ও জেলা-নীলফামারী।
সহ আরও অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন।
স্বাক্ষীগনের নাম ও ঠিকানাঃ
১। মোঃ আঃ আজিজ পিতা-মৃতঃ আলীমুদ্দিন
২। মোঃ ছাদেক , পিতা-মৃতঃ কালা মামুদ
উভয় সাং-কিসামত দোগাছী, পোষ্ট-রামগঞ্জ
৩। মোঃ আমির আলী, পিতা-মৃতঃ বাবাজান মিয়া
৪। মোঃ আশরাফ আলী, পিতা-মৃতঃ ঐ
৫। মোঃ বাবু হোসেন, পিতা-মোঃ আবু তাহের
৬। মোঃ তৈয়ব আলী, পিতা-মৃতঃ সহির উদ্দিন
৭। মোঃ মোসলেম উদ্দিন, পিতা-মৃতঃ মিয়াজান মিয়া
৮। মোঃ আহম্মেদ আলী, পিতা-মোঃ আমিনুর রহমান
৯। মোঃ বুদারু মামুদ, পিতা-মৃতঃ কলো মামুদ
১০। মোঃ ভোলা হোসেন, পিতা-মোঃ নুরুল হক
সকলের সাং-ইটাখোলা, পোষ্ট-কানিয়াল খাতা
থানা ও জেলা-নীলফামারী।
১১। আঃ সাত্তার, পিতা-মৃতঃ গংগা মামুদ
সাং-ইটাখোলা
১২। হাফিজুর রশিদ মঞ্জু চেয়ারম্যান
ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদ,সদর নীলফামারী।
ঘটনার তারিখ ও সময়ঃ-০৬/০৪/১৮ইং তারিখে সময় অনুমান বাদ জুম্মা অর্থাৎ দুপুর ২.৩০ ঘটিকা।
ধারা-ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১০৭/১১৭(সি) ধারা
ঘটনার বিবরনঃ-
নিবেদন এই যে, প্রার্থী একজন সহজ সরল ও আইনানুগ ব্যক্তি এবং উত্তর ইটাখোলা কিসামত দোগাছী রাহমানিয়া জামে মসজিদ ও এবতেয়াদী মাদ্রাসার সাধারন সম্পাদক বটে। পক্ষান্তরে প্রতিপক্ষগন আইন অমান্যকারী দাঙ্গাবাজ, সন্ত্রাসী, পরধনলোভী ইত্যাদি শ্রেনীর লোক বটে। তাহারা পারে না এমন কোন কর্মকান্ড নাই। ১নং প্রতিপক্ষ ২০০৬ সাল হইতে উপরোক্ত মসজিদ এবং মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করিয়া আসাবস্থায় মসজিদের জমি জায়গার ফসলাদি হিসাব নিকাশ সহ সকল ভাল মন্দ দেখাশুনা করিতেন। মসজিদ এবং মাদ্রাসার কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ সহ এলাকাবাসি। ১নং প্রতিপক্ষকে শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাস করিয়া সকল প্রকার দায়িত্ব অর্পন করিয়া ছিলেন। ১৯৯৩ সালে জনৈক নুর ইসলাম, আকবর, জব্বার, আব্দুল গনি, আব্দুল মজিদ ও মোস্তফা গং দের নিকট হইতে এবতেদায়ী মাদ্রাসা গঠনের উদ্দেশ্যে ৪৭.১/২ শতক জমি রেজিষ্ট্রিকৃত দলিল মুলে গ্রহন করিয়া লন। কিন্তু এবতেদীয় মাদ্রাসা উক্ত ১নং প্রতিপক্ষ সঠিক ভাবে স্থাপন না করিয়া অল্প কিছু দিনের মধ্যেই মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ হইয়া যাইবার পর ২০১৬ সালে উক্ত এবতেদায়ী মাদ্রাসার স্থলে নুরানী কিন্ডার গার্ডেন মাদ্রাসা স্থাপিত হয়। উপরোক্ত বিষয় গুলো লইয়া ১নং প্রতিপক্ষের নিকট অর্থাৎ সভাপতির সহিত কমিটির অন্যান্য সদস্য ও এলাকাবাসীর মত বিরোধ দেখা দেয়। অতঃপর ২০১৭ সালে জুলাই মাসে দিকে মসজিদের মুসল্লিগন জানিতে পারেন যে, মসজিদের বৈদ্যুতিক সংযোক্তি অবৈধ। অতঃপর উক্ত বৈদ্যুতিক সংযোগের বৈধ করিবার জন্য ১নং প্রতিপক্ষ ১৫,০০০/ টাকা গ্রহন করেন এবং মসজিদের জমি জায়গার সমস্যা সমাধানের লক্ষে ২০,০০০/ টাকা গ্রহন করেন। অতঃপর উক্ত টাকা গুলোর হিসাব চাহিলে ১নং প্রতিপক্ষ সময়ে ক্ষেপন করিতে থাকেন।
অতঃপর উক্ত বিষয়ে এলাকার লোকজন ও মসজিদ কমিটির লোকজন বারবার তাগাদা দেওয়ার স্বত্বেও হিসাব নিকাশ না দিলে গত ঘটনার তারিখে অর্থাৎ গত ০৬/০৪/২০১৮ইং তারিখ জুম্মার নামাজ শেষে মসজিদ কমিটির পক্ষে প্রার্থী অর্থাৎ সাধারন সম্পাদক ১নং প্রতিপক্ষের নিকট উপরোক্ত বিষয়ে পুনঃরায় হিসাব নিকাশ চাহিলে ১নং প্রতিপক্ষ ক্ষিপ্ত হইয়া উঠেন। তাহার সাথে অন্যান্য প্রতিপক্ষগন ও অজ্ঞাত ৮/১০ জন ব্যক্তি প্রার্থীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করিয়া মার ডাং করিতে উদ্যত হইলে স্বাক্ষীগন ও উপস্থিত মুসল্লিগনের হস্তক্ষেপে প্রানে রক্ষা পায়। তখন সকল প্রতিপক্ষগন ঘটনাস্থল ত্যাগ করিবার প্রাক্কালে এই মর্মে উচ্চ স্বরে হুমকি প্রদান করেন যে,আজ প্রানে বেঁচে গেলি যদি ভবিষ্যতে তুই বা কমিটির অন্য কোন ব্যক্তিবর্গ মসজিদ মাদ্রাসা বিষয়ে নাকগলাশ বা মসজিদ মাদ্রাসার আয় ব্যায়ের হিসাব নিকাশ দাবী করিস তবে তোকে বা তোদেরকে শক্ত মার ডাং করিয়া দিব। আমি আওয়ামী-লীগের একজন নেতা তোদের ক্ষতি করা আমার জন্য মামুলি ব্যাপার এমনকি তোদেরকে জামাত শিবির বা জঙ্গি গোষ্টির মিথ্যা অপবাদ দিয়া প্রশাসনের নিকট অভিযোগ দাখিল করিব বা যতদিন জীবিত রহিয়াছি ততদিন উভয় কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করিব। কাউকে কোন প্রকার আয় ব্যায়ের হিসাব নিকাশ প্রদান করিব না বা নিজেরা নিজেরা জখম প্রাপ্ত হইয়া তোদের নামে ম্যিথা মামলা দিয়া জেল হাজত খাটাইব বা তোদের বাড়ীঘরে রাতের অন্ধকারে চোর দস্যু শ্রেনীর লোকজন ভাড়া করিয়া লুটপাট করিয়া পথের ফকির বানাইব ইত্যাদি উক্তি গুলি প্রকাশ করিয়া ঘটনাস্থল ত্যাগ করিলে মসজিদের মুসল্লি ইমান, প্রার্থী ও স্বাক্ষীগন হতবাক হইয়া যায়। প্রার্থী আশংকা করিতেছেন যে, প্রতিপক্ষ অত্যান্ত দুদান্ত ও দাঙ্গাবাজ প্রকৃতির ব্যাক্তিবর্গ হওয়ায় তাহাদের দ্বারা যে কোন সময় যে কোন দিন প্রার্থীপক্ষের আশু শান্তি ভঙ্গের সম্ভবনা বিদ্যমান। ঘটনার স্বাক্ষী রহিয়াছে। সে কারনে প্রার্থী বিজ্ঞ আদালতের দ্বারস্থ হইলেন। নচেৎ ক্ষতির কারন ঘটিবে।
সে মতে প্রার্থনা উপরোক্ত কারনে আইন ও ন্যায় মতে সকল প্রতিপক্ষগনের বিরুদ্ধে ১০৭/১১৭ (সি) ধারা অনুসারে প্রসিডিং ড্র করতঃ প্রচুর মুচলেকা বন্ডের নির্দেশ দানে জনাবের মর্জি হয়।
তাং-