জমির বায়না পত্র লেখার নিয়ম । জমির বায়না পত্র কি

বায়না নামা কি?

আমরা যদি জমি ক্রয়-বিক্রয় করি সেক্ষেত্রে জমির বায়না নামা টাকার লেনদেন করে থাকি।  এই টাকার লেনদেন করার পদ্ধতিকে আমরা জমির বায়না নামা বলে থাকি।

জমির বায়না পত্র লেখার নিয়ম 

তাই আইন কানুন মেনে চলে জমির বায়না নামা করা আমাদের জন্য অনেক ভাল। তাহলে আমাদের জমি ক্রয়-বিক্রয় করা যে বায়না নামা টাকা লেন দেন করবো। সেই টাকা আর কখনো ক্রেতা দুই নম্বকরি করতে পারবেনা। সেই জন্য আইনের আশ্রয় নিয়ে বিজ্ঞ নোটরী পাবলিকের কার্যালয়ে একটি বায়না নামা পত্র লিখে আমাদের জমির বায়না নামা করবো। তাহলে আমাদের বায়না নামা পত্রটি গ্রান্টেট হবে।

কত টাকার স্টাম্পে বায়না নামা পত্রটি কিনবেন?

জমির ক্রয় বিক্রয়ের জন্য যে বায়না নামা পত্র  ক্রয় করবেন। সেটির দাম হবে ১৫০ টাকার স্টাম্পে করেবন।

নিম্নে জমির বায়না নামা পত্রটি কিভাবে করবেন সেই পদ্ধতি নিম্নে উপহারণ সহ দেখানো হলোঃ

মোকামঃ বিজ্ঞ  নোটারী পাবলিক কার্যালয়, নীলফামারী।

বায়নামা পত্র

গ্রহিতাঃ-

মোঃ আনছারুজ্জামান, পিতা- মোঃ মহুবার রহমান, সাং- চঃ রেঃ ষ্টেশন, চঃ রেঃ, থানা ও পোষ্ট-কোতয়ালী, জেলা- চট্টগ্রাম। পেশা-চাকুরী, ধর্ম-ইসলাম, জাতীয়তা-বাংলাদেশী।

বিক্রেতাঃ-

১। মোঃ আইনুল হক @ লালবাবু, পিতা-মৃতঃ লুৎফর রহমান, সাং-শান্তি নগর , নীলফামারী, পেশা-চাকুরী, ধর্ম-ইসলাম, জাতীয়তা-বাংলাদেশী। আমার সাংসারিক গরজ বশতঃ টাকার বিষেশ প্রয়োজন হওয়ায় আমার নিজ নামীয় নি¤œ  তপশীল বর্নিত জমি বিক্রয় করার প্রস্তাব করিলে আপনি তাহা ক্রয় করিতে ইচ্ছুক হইলেন মতে তাহার বিক্রিত মোট মূল্য ৪,০০,০০০/(চারলক্ষ) টাকা ধার্য্য করিয়া ধার্য্যকৃত টাকা হইতে বায়না স্বরুপ নগদ-২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা আমি নি¤œ লিখিত স্বাক্ষীগনের মোকাবেলায় নগদ একযোগে বুঝিয়া পাইয়া স্বীকার ও অঙ্গিকার করিতেছি সে অদ্যকার ১৭/০৯/২০১৮ইং তারিখে হইতে আগামী ১৭/০২/২০১৯ইং তারিখের মধ্যে বায়নার বক্রী ৩,৮০,০০০/-(তিনলক্ষ আশি হাজার) টাকা আমাকে বুঝাইয়া দিলে আমি আপনাকে উল্লেখিত তারিখের মধ্যে সাব-কবলা দলিল রেজিষ্ট্রি করিয়া দিতে বাধ্য থাকিব। যদি আমি উল্লেখিত টাকা বুঝিয়া পাওয়া স্বত্বেও কোন প্রকার টাল বাহানা করিয়া মেয়াদ বা সময় অতিবাহিত করার চেষ্টা করি এবং করাই তাহা হইলে গ্রহিতা আদালত যোগে বক্রি টাকা প্রদানে রেজিষ্ট্রি করিয়া লইতে পারিবেন। এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে অত্র বায়না পত্র লিখিয়া দিলাম।

তফশীল বর্ননাঃ 

জেলা-নীলফামারী,উপজেলা-নীলফামারী, মৌজা-নীলফামারী টাইন, জে,এল নং-৬৮ খতিয়ান -৩০৫৭, দাগ ৩০৯৬, ৩০৯৭ দাগের ৫.২৪ শতক। 

 হলফকারীগনকে আমি চিনি ও জানি
তাহারা আমার সম্মুখে সহি স্বাক্ষর করিলেন।
আমি তাহাদেরকে সনাক্ত করিলাম।

স্বাক্ষীগনের স্বাক্ষরঃ-

হলফকারীর স্বাক্ষরঃ



Next Post Previous Post
1 Comments
  • All Reviews 160
    All Reviews 160 August 27, 2022 at 9:03 AM

    আসা করি ভালো আছেন খুব ভালো লাগল connect me

Add Comment
comment url