আত্নসমর্পনকারী আসামী পক্ষে জামিনের আবেদন । বিজ্ঞ যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ আদালত
আত্নসমর্পনকারী আসামী পক্ষে জামিনের আবেদন কিভাবে লেখবেন নিম্নে সম্পূর্ণ পোষ্টটি ভাল করে লেখা আছে। এটি একটি বাস্তব উদাহরণ সহ সঠিক নিয়মে লেখা আছে। আপনি চাইলে নিচের নাম ও গ্রাম বা ঠিকানা এবং কেস নংপরিবর্তন করে লিখতে হবে।
এখান থেকে লেখা শুরু:-
মোকামঃ বিজ্ঞ যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ আদালত,নীলফামারী।
এস.সি ৪৫৬/১৭ ১। রাষ্ট্র---------------------
বাদী ।
বনাম
১। মোছাঃ রুপা বেগম -----আসামী।
বিষয়ঃ আত্নসমর্পনকারী আসামী রুপা বেগম এর পক্ষে জামিনের আবেদন।
নিবেদন এই যে, উপরোক্ত নং মোকদ্দমার দিন আগামী ১৩/০৬/১৮ইং তারিখে ধার্য্য আছে। আসামী নিম্ন লিখিত হেতুবাদে জামিনের আবেদন করিলেন।
“হেতুবাদ সমুহ”
১। যেহেতু- আসামী সম্পুর্ন নির্দোষ। অন্যায় ভাবে অত্র মোকদ্দমায় জড়িত করা হইয়াছে।
২। যেহেতু- আসামী জি.আর ১৩/১৮নং মোকদ্দমায় গত ১৯/০২/১৮ইং তারিখ বিজ্ঞ নিম্ন আদালতে আত্নসমর্পন করিলে বিজ্ঞ নিম্ন আদালত ন্যায় বিচারের স্বার্থে আসামীকে ঈ/ড মুলে জেল হাজতে নেয় এবং গত ১৯/০৩/১৮ইং তারিখ বিজ্ঞ দায়রা জজ আদালত হইতে ক্রিঃমিস ১৫৬/১৮নং মোকদ্দমায় জামিন লাভ করিয়াছেন। সেই কারনে আসামী গত ধার্য্য তারিখ বিজ্ঞ আদালতে হাজির হইতে না পারায় সময়ের আবেদন করিয়াছেন এবং বিজ্ঞ আদালত তাহা না মঞ্জুর পূর্বক ড/অ ইস্যু করেন।
৩। যেহেতু- আসামী জামিনে থাকিয়া জামিনের কোনরুপ শর্ত ভঙ্গ করেন নাই। নিয়মিত বিজ্ঞ আদালতের আদেশ মানিয়া চলিয়াছেন।
৪। যেহেতু-আসামীর ঘর বাড়ী জমাজমি আছে। স্থানীয় উপযুক্ত জিম্মাদার রহিয়াছে। জামিনে মুক্তি পাইলে পলাতক হইবেন না।
৫। যেহেতু- অন্যান্য আপত্তি ও যুক্তি শুনানী কালে বাচনিক নিবেদিত হইবে।
সে মতে প্রার্থনা, উপরোক্ত কারনে আইন ও ন্যায় মতে আত্নসমর্পনকারী আসামী রুপা বেগমকে জামিনে মুক্তির আদেশ দানে জনাবের মর্জি হয়।
নিবেদন/ইতি
তাং
