বাদী ও বিবাদীর মধ্যে আপোষসুত্রে সোলেনামা লেখার নিয়ম
২। জমির বায়না পত্র লেখার নিয়ম
৩। তালাক নামা লেখার নিয়ম (স্ত্রী কর্তৃক তালাক নামার এফিডেভিট)
আপনি যদি বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে/ আপনার যে আদালতে পেষ পেশ করতে চান , আপনি সেটিই করতে পারবেন।
নিম্নে এই এই ফরমেটটি একটি আদালতে পেশ করার আবেদন আমরা এখান আপনার জন্য সঠিকভাবে উদাহরণ সহ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাবে লিখে দিয়েছি। যাতে করে আপনার কোন ধরণের সমস্য না হয়। এই বাদী ও বিবাদীর মধ্যে আপোষসূত্রে সোলনামা দাখিল লেখার নিয়মটি।
এখান থেকে শুরু করা হয়েছে।
মোকামঃ বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালত ডোমার, নীলফামারী
১। মোঃ মোরসালিন হক --- বাদী
১। মোছাঃ হাবিবা বেগম ----বিবাদী
নিবেদন এই যে, উপরোক্ত নং মোকদ্দমার দিন আগামী ২৩/০৩/১৮ইং তারিখে ধার্য্য আছে। উক্ত মোকদ্দমার বাদী ও বিবাদীর মধ্যে অত্র মোকদ্দমার বিষয় স্থানীয় মহৎ প্রধান ব্যক্তি বর্গ আপোষ মিমাংসা করিয়া দিয়াছেন। উভয় পক্ষই তাহা মানিয়া লইয়া নি¤œ লিখিত শর্ত সাপেক্ষে অত্র সোলেনামা দাখিল করিলেন।
মতে প্রার্থনা হুজুর দয়া প্রকাশে উপরোক্ত অবস্থা প্রনিধানে বাদী ও বিবাদীর মধ্যে দাখিলীয় সোলেনামা গ্রহনের আদেশ দানে সুবিচার করিতে মর্জি হয়।
“সোলেনামার শর্ত সমূহ”
২। সোলে সুত্রে বাদী ও বিবাদীর বিবাদীর বিরুদ্ধেথ দায়ের কৃত ---ঘোষনা দাবী করিতেন করিলেন।
৩। সোলে সুত্রে বাদী ও বিবাদীর বৈবাহিক সর্ম্পক চিরতরে বিচ্ছেদ করিবেন। ভবিষ্যতে কেহ কাহাকে স্বামী-স্ত্রী রুপে দাবী করিতে পারিব না।
৪। উভয় পক্ষই সোলে সুত্রে মোকদ্দমা নিস্পত্তি করিয়া লইবেন।
৫। উক্ত সোলেনামা ডিক্রীর একাংশ বলে গন্য হইবো।
৬। অত্র সোলেনামা উভয় পক্ষই-পড়িয়া, শুনিয়া অত্র সোলেনামায় নিজ নাম সহি করিলাম।
৭। মোকদ্দমার ব্যায় পক্ষগন নিজ নিজ বহন করিবেন।