স্মারকলিপির বিষয়বস্তু এবং স্মারকলিপির বিভিন্ন ধারাসমূহ আলোচনা করা হলো
অথবা, স্মারকলিপির বিভিন্ন ধারাসমূহ আলােচনা কর।
(Discuss the clauses of memorandum association.)
অন্য পোষ্টঃ
১। যৌথমূলধনী কোম্পানি বলতে কি বুঝ?
২। কোম্পানি আইনের ঐতিহাসিক পটভূমির আলোচনা কর।
৩। যৌথমূলধনী কোম্পানির আইনগত বৈশিষ্ট্যসমূহ আলােচনা কর।
৪। যৌথমূলধনী কোম্পানির সাধারণ বৈশিষ্ট্যসমূহ আলােচনা কর।
নিম্নে উল্লেখ করা হলাে:
১। নাম ধারা: এ ধারায় কোম্পানির নাম এবং নামের শেষে লিমিটেড শব্দটি উল্লেখ করা হয়। কোম্পানির নামকরণে দেশে প্রচলিত অন্য কোন কোম্পানির নাম ব্যবহার করা আইনসম্মত নয়। এছাড়া সরকারের অনুমতি ছাড়া রাজা, রাণী, রাষ্ট্রপতি প্রভৃতি শব্দ কোম্পানির নামকরণে ব্যবহার করা যায় না।
২। অবস্থান ও ঠিকানা ধারা: এ ধারায় কোম্পানি নিবন্ধিত অফিসের অবস্থান ও ঠিকানা এবং কোন এলাকায় কোম্পানি কোম্পানি পরিচালনা করবে তার উল্লেখ করা হয়।
৩। কোম্পানির এলাকা ধারা: এ ধারায় ভবিষ্যতে কোম্পানি যে সমস্ত এলাকায় কোম্পানি করবে তা উল্লেখ থাকে।
৪। উদ্দেশ্য ধারা: এ ধারায় কোম্পানি গঠনের মূল উদ্দেশ্য বা কার্যক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়। এ ধারায় উল্লেখ করা হয়নি এমন কোন কাজ কোম্পানি করতে পারে না।
৫। দায় ধারা: এ ধারায় শেয়ার মালিকদের দায়-দায়িত্বের প্রকৃতি উল্লেখ থাকে। শেয়ার মালিকদের দায় ক্রীত শেয়ারের মূল্য দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকবে, না প্রতিশ্রুতি দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকবে তার স্পস্ট উল্লেখ করতে হয়।
৬। মূলধন ধারা: এ ধারায় কোম্পানির অনুমােদিত মূলধনের পরিমাণ এবং প্রাত শেয়ারের মূল্য কত হবে তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ থাকে।
৭। সম্মতি ধারা: এ ধারায় কোম্পানির প্রাথমিক পরিচালকগণ নির্দিষ্ট সংখ্যক শে ক্রয় করে পরিচালক হিসেবে কাজ করার সম্মতি উল্লেখ করা হয়।
উপসংহারঃ পরিশেষে বলা যায়, কোম্পানির কর্মপরিধি ও কর্মক্ষম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সাধারণ ও বিশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ এ সরকারের অনুমােদন গ্রহণ করতে হয়। র কর্মপরিধি ও কর্মক্ষমতার সীমা র আলােকেই নির্ধারিত হয়। এর কোন ও গ্রহণ এবং ক্ষেত্রবিশেষে আদালত ও সরকারে অনুমোদন গ্রহণ করতে হয় ।